বিচিত্রতা

কুমিল্লায় ১৩ বছর আগে দাফন করা কোরআনে হাফেজের মরদেহ এখনো অক্ষত, ভিডিও সহ

image
Tue, May 16
10:43 2017

নিজস্ব প্রতিবেদক:


ණ☛ ২০০৪ সালে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে কুমিল্লায় মারা যান এক কোরআনে হাফেজ। ইসলামী রীতি মেনে দাফনও করা হয় তাকে। কিন্তু দীর্ঘ ১৩ বছর পর অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে সেই হাফেজের মরদেহ। এমনটাই জানিয়েছেন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মৈশাতুয়া ইউনিয়নের খানাতুয়া গ্রামের বাসিন্দারা।


ණ☛ জানা যায়, ওই কোরআনে হাফেজের নাম মোহাম্মদ মাসুদ, ১৩ বছর বয়সে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তিনি খানাতুয়া গ্রামের মৃত মোখলেছুর রহমানের পাঁচ ছেলের মধ্যে সবার ছোট।


ණ☛ স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০৪ সালে কোরআনে হাফেজ মোহাম্মদ মাসুদ ১৩ বছর বয়সে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। ওই সময় চারদিকে বন্যার পানি বেশি থাকায় তাকে গ্রামের বিরার পুকুর পাড়ে দাফন করা হয়। দাফনের দীর্ঘ ১৩ বছর পর গত ১৪ মে পুকুর পাড়ের মাটি ভেঙে মাসুদের লাশটি পুকুরে পড়ে যায়।


ණ☛ এ সময় স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে লাশটি পানি থেকে উঠায়। ১৩ বছর পরও কাপনের কাপড় অক্ষত অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা বিস্ময় প্রকাশ করেন। পরে এলাকাবাসী পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশটি পুনরায় দাফন করে।


ණ☛ এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর দূরদূরান্ত থেকে মানুষ মাসুদের কবর দেখতে খানাতুয়া গ্রামে ভিড় করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও লাশের ছবি পোস্ট করে অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শাহ্ আলম জানান, আমরা লাশটি পুকুরে পড়ে থাকতে দেখে উঠিয়ে পুনরায় দাফন করি। ১৩ বছর পরও কাপনের কাপড় একেবারে অক্ষত দেখে আমরা অবাক হয়ে যাই।


মৈশাতুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। এটি সত্যি একটি অলৌকিক ঘটনা।


ණ☛ এ বিষয়ে জাতীয় ইমাম সমাজের মহাসচিব মাওলানা মো. মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ জানান, কোরআনে বলা আছে আল্লাহপাকের দ্বীনের সহযোগীতা করে যারা মারা গেছেন তাদের মৃত বলা যায় না। তাদের কে আল্লাহ পাক জীবিত রাখেন। তবে এটা দুনিয়ার জীবন না। দেহ ত্যাগ করলেও আল্লাহ তাআলার বিশেষ কুদরতে তারা জীবত থাকেন।


তিনি আরো বলেন, মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি অলৌকিক হলেও। কোরআনের ব্যাখা অনুযায়ী এ বিষয়গুলো অলৌকিক নয়।


ණ☛ এ ব্যাপারে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মজিবুর রহমান জানান, ”যে পরিমাণ ব্যাকটেরিয়া থাকার কথা ছিল ওই মাটিতে সম্ভবত তা ছিল না। এমনকি একটি লাশ দাফনের সময় যদি কোন প্রকার অতিরিক্ত মেডিসিন বা কেমিকেল ব্যবহার করে থাকে, তাহলে পোকামাকড় আক্রমণ করতে পারে না। এতে ওই লাশ একশত বছরও অক্ষত থাকা সম্ভব।

লেখাটি ১২৪১ বার পড়া হয়েছে
নিউজ অর্গান টোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Video




Share


Related Articles

Comments

ফেসবুক/টুইটার থেকে সরাসরি প্রকাশিত মন্তব্য পাঠকের নিজস্ব ও ব্যক্তিগত মতামতের প্রতিফলন, এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোট ভিসিটর সংখ্যা
৭১৬১৮৬৭৯

অনলাইন ভোট

image
ধর্ষণ প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় আপনি কি মনে করেন ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত?

আপনার মতামত
হ্যাঁ
না
ভোট দিয়েছেন ৬৬ জন

আজকের উক্তি

নির্বাচনকালীন সরকার কিংবা সহায়ক সরকার বিষয়টি রাজনৈতিক, এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা