রাজনীতি

মৌলভীবাজার সরকারী হাসপাতালে রোগী রাখতে চান না ডাক্তার ও জরুরী বিভাগ

image
Mon, June 5
03:27 2017

দুরুদ আহমেদ:


ණ☛ মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা সরকারী হাসপাতালে রোগী রাখতে চান না, ডাক্তার ও জরুরী বিভাগ। টাকার বিনিময় শহরের প্রাইভেট হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা করবেন ডাক্তার সাহেবরা জানান রোগী ও এলাকাবাসী। হযরত শাহ্ মোস্তফার (রাঃ) এর শহর ১৯৭৭ সালে ২০ হইতে ৩০ বেডের  হাসপাতাল ছিল, একজন ডাক্তার ১ জন সহকারি ১ বা ২ জন সেবিকা। মানুষের বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটিলে আগে থেকে সিলেট হাসপাতালে নিয়ে যাবার ব্যবস্তা করতেন। মৌলভীবাজার হাসপালে তখন ভাল চিকিৎসার ব্যবস্তাছিল না। আজ সব রোগের ডাক্তার আছেন, আছে বড় একটি ২৫০ শয্যা হাসপাতাল।





কিন্তু ডাক্তার সাহেবরা মৌলভীবাজারবাসীকে নিয়ে গেছেন সেই ১৯৭৭ সালের যুগে। যে কোন রোগী মৌলভীবাজার হাসপাতালে নিয়ে আসলে পরে ডাক্তার সাহেব সহ হাসপাতালের কর্মরত সবাই বলেন, রোগীকে নিয়ে যান সিলেট হাসপাতালে। এখানে ভাল ব্যবস্থা নাই রোগী রাখার এবং রোগীকে চিকিৎসা দেবার। রোগী এবং মৌলভীবাজারবাসী জানান, আজ ১ বছর যাবৎ এই ভাবে চলছে।





কারণ জানতে চাইলে উনারা বলেন, রোগীগন বেশির ভাগি অসহায় হয়ে শহরের বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যাবার পর এই হাসপাতালের ডাক্তারগন শহরের  প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়ে টাকার বিনিময় চিকিৎসা করেন। আর সিলেটে চলে গেলে যে এম্বুলেন্সে রোগী নিয়ে যায় এ এম্বুলেন্স ভাড়া থেকে একটা ভাগ পেয়ে থাকেন হাসপাতাল পক্ষ। সরকারি এম্বুলেন্স থাকলেও ড্রাইভার বিভিন্ন কাজে ব্যবস্থ থাকেন বলে জানন। এম্বুলেন্স ড্রাইভার ইছুব মিয়া আজ ৫ বছর যাবৎ এই হাসপাতালের রোগী বহন করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। তিনি বলেন, সরকারী এম্বুলেন্স ভাড়ার চেয়ে কিছু অতিরিক্ত ভাড়া নেন এই রোগীকে সিলেট নিয়ে যাবেন ১৭শ টাকায়। তখন সার্জেন্ট রিয়াদ বলেছেন এ রোগী গরিব অসহায় সরকারী এম্বুলেন্স যাবে এই সব কথা নিয়েও ড্রাইভার সার্জেন্ট সাথে ঝগড়া করেন এবং ১৫০ টাকা অতিরিক্ত নেই বলেন। আর প্রাইভেট এম্বুলেন্স গুলো হাসপাতালের সামনে লাইনবেধে রাখা আছে। আর ড্রাইভারগন হাসপাতালের ভিতরে রোগী আসলে রোগীকে সিলেট সহ শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য।





আজ( ২ মে) বিকেল ৩ টার সময় এই সমস্যার সম্মুখীন মৌলভীবাজারে এক সার্জেন্ট এস আই রিয়াদ উনার ডিউটি কালীন সময় হটাৎ একটি সিএনজি থেকে একজন মহিলা  উনাকে ঢাকছেন তিনি এগিয়ে দেখেন সিএনজিতে একজন রোগী আহত অবস্থায়, দেখে তিনি হাসপাতালে নিয়ে আসেন জরুরী বিভাগে, কর্মরত লোকজন রোগে দেখে বলেন, সিলেট হাসপাতালে নিয়ে যান। সার্জেন্ট বলেন, আপনারা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পাঠাইবেনতো। উনারা বলেন, ডাক্তার সাহেব নাই, একজন রোগী মারা গেছেন তাই উপড়ে আছেন। সার্জেন্ট বলিলেন উনিতো বেচে আছেন উনাকে বাচানো প্রয়োজন। অনেক সময় তর্কবিতর্ক পরও হাসপাতাল কতৃপক্ষ কোন ভাল জবাব না দেওয়ায় এলাকার সাধারন মানুষের সাহায্য নিলেন, এস আই মালিক সহ, শহরের পুরাতন হাসপাতাল সড়কের আলহাজ্ব জনাব আব্দুল্লাহ কন্ট্রেটর এর ছেলে এম এ খলিল আব্দুল্লাহ মুক্তি সহ আরও অনেক ও সাংবাদিক যাওয়ার পর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে অনেক লোকজমা হয়ে অভিযোগের শেষ নাই। এম এ খলিল আব্দুল্লাহ মুক্তি সাথেও খারাপ ব্যবহার করেন হাসপাতালের কতৃক্ষপ।





চিনু রঞ্জন তালুকদার সাংগঠনিক সম্পাদক দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম মৌলভীবাজার শাখা, তিনি আজ অনেক দিন যাবৎ তার বাবার পা পচা রোগ নিয়ে এই হাসপাতালে আছেন। ডাক্তার অলক রঞ্জনকে জিঙ্গাস করিলেন আমার বাবার পা পচা রোগটা কমছে না কেন, ডাক্তার উত্তরে বলেন, পচা হাসপাতালে না থেকে সিলেট চলে যান।


লেখাটি ১৩৭৬৫ বার পড়া হয়েছে
নিউজ অর্গান টোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


Share


Related Articles

Comments

ফেসবুক/টুইটার থেকে সরাসরি প্রকাশিত মন্তব্য পাঠকের নিজস্ব ও ব্যক্তিগত মতামতের প্রতিফলন, এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোট ভিসিটর সংখ্যা
৭৩২৭২৭৯৯

অনলাইন ভোট

image
মাদক বিরোধী অভিযানের নামে অব্যাহত ক্রসফায়ার সমর্থন করেন কি?

আপনার মতামত
হ্যাঁ
না
ভোট দিয়েছেন ৫১ জন

আজকের উক্তি

নির্বাচনকালীন সরকার কিংবা সহায়ক সরকার বিষয়টি রাজনৈতিক, এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা