রাজনীতি

'বদলী হজ্জ'

image
Sat, August 19
08:30 2017

মুহাম্মদ আবু হানিফ খান:

ණ☛ বদলী হজ্জ হলো একজনের হজ্জ আরেকজন করা। ইসলামে মৌলিক ইবাদত তিন ধরনের: এক. শুধু শারীরিক শ্রমসাধ্য। যেমন, স্যলাত, সওম। এ ধরণের ইবাদত একজন অন্য জনেরটা আদায় করতে পারেন না। দুই. শুধু আর্থিক প্রদেয় ইবাদত। যেমন, যাকাত, সাদাকাতুল ফিতর, বা যে কোন ধরণের কাফফারা। এ ধরণের ইবাদত একজন আরেকজনের পক্ষে আদায় করতে পারেন। ৩. আর্থিক ও শারীরিক শ্রমসাধ্য ইবাদত। যেমন, হজ্জ। এ ধরণের ইবাদত করতে কেই অসমর্থ হলে অপর কাউকে প্রতিনিধি নিয়োগ করে আদায় করতে পারেন। তবে নিজে করতে সক্ষম হলে প্রতিনিধি নিয়োগ করা বৈধ নয়। হজ্জ আদায়ে কেউ কাউকে প্রতিনিধি নিয়োগ করলে যার পক্ষ হতে হজ্জ আদায় করা হচ্ছে তার পক্ষে হজ্জের নিয়্যত করতে হবে। (শরহে বেকায়া-১০৫)।

বদলী হজ্জ কে করাতে পারেন : কেউ যদি এত বেশি বয়ঃবৃদ্ধ হয় যে, তার পক্ষে হজ্জের আহকাম পালন করা সম্ভব নয় বা শারীরিকভাবে এমন অসুস্থ ব্যক্তি যার সুস্থ হওয়ার আশা নাই। তাহলে এমন ব্যক্তি বদলী হজ্জ করাতে পারবেন। অর্থাৎ তিনি তার উপর ফরজ বা নফল হজ্জ আদায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করে প্রতিনিধি দিয়ে হজ্জ সম্পাদন করতে পারবেন। জীবদ্দশায় হজ্জ আদায় করতে না পারলে তিনি অসিয়ত করে যাবেন। অন্যথায় তিনি হজ্জ পালন না করার কারণে গুনাহগার হবেন। তবে ইমাম শাফেয়ী ও আহদ ইবনে হাম্বলে’র মতে অসিয়ত করে যাওয়া জরুরী নয়। অসিয়ত না করে গেলেও তার পক্ষ হতে হজ্জ পালনের ব্যবস্থা করতে হবে। হজ্জ ফরজ হওয়া স্বত্ত্বেও জীবদ্দশায় হজ্জ আদায় করতে না পারলে তার পক্ষে উত্তরাধীকারীদের হজ্জ আদায় করতে হবে। কোন ব্যক্তি মারা গেলে তার ঋণ শোধ করার জন্য যেমন অসিয়ত করতে হয় না, তেমন হজ্জ আদায় করার জন্যও অসিয়ত করা জরুরী নয়। তবে অসিয়ত করে যাওয়ার অর্থ হলো এটাই প্রমাণ করা যে, তিনি আল্লাহর হুকুম হজ্জ পালনের ব্যাপারে খুবই আন্তরিক ছিলেন। বুখারী শরীফে উল্লেখ রয়েছে, হযরত ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, জুহায়না গোত্রের এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, আমার মা হজ্জ করার মান্নত করেছিলেন। অতঃপর হজ্জ করার আগেই তিনি মারা যান। আমি কী তার পক্ষ হতে হজ্জ আদায় করতে পারি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম জবাবে বললেন, হ্যাঁ। হজ্জ আদায় কর। দেখ! যদি তোমার মায়ের ঋণ থাকতো তাহলে তুমি তা আদায় করতে কিনা? আল্লাহর ঋণ আদায় কর। আল্লাহর ঋণ আদায় করা সর্বোপরি দাবী রাখে।’ অসুস্থ ব্যক্তি তার জীবনে যদি সুস্থ হওয়ার আশা থাকে তাহলে তিনি বদলী হজ্জ করাতে প্রতিনিধি নিয়োগ করলে তা বৈধ হবে না। অসুস্থ ব্যক্তি শারীরিকভাবে সুস্থ হলে তিনি নিজের উপর ফরজ হজ্জ নিজে করবেন। অসুস্থ ব্যক্তি প্রতিনিধি নিয়োগ করে হজ্জ করালে অতঃপর সুস্থ হলে তাকে আবার হজ্জ আদায় করতে হবে।

নিজের হজ্জ আদায় না করে বদলী হজ্জ আদায় : নিজের হজ্জ নিজে আদায় করেননি এমন ব্যক্তি বদলী হজ্জ আদায় করতে পারবেন কি না, এ ব্যাপারে উলামায়ে কিরাম এর মধ্যে ইখতিলাফ (মতভেদ) আছে। ইমাম আবু হানিফা, ইমাম মালেক ও ইমাম আহমদ এর মতে নিজের হজ্জ করেন নি এমন ব্যক্তি অন্যের হজ্জ করতে পারবেন। তবে এটা মাকরূহ হবে। এ মতের স্বপক্ষে দলিল- রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম খাসআম গোত্রীয় এক মহিলাকে নিজের হজ্জ আদায়ের কথা জিজ্ঞেস না করেই তাকে বদলী হজ্জ আদায়ের অনুমতি দিয়েছিলেন। এভাবে তিনি আরও অনেককে অনুমতি দিয়েছিলেন। অপর দিকে ইমাম শাফেয়ী ও ইসহাকের মতে নিজের হজ্জ আদায় না করে অন্য কারো বদলী হজ্জ আদায় করা বৈধ নয়। হযরত ওমর ইবনে আবদুল আযীয নিজের হজ্জ আদায় না করে বদলী হজ্জ করতে নিষেধ করেছেন। তাদের মতের স্বপক্ষে দলিল- একদা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম শুনলেন, একব্যক্তি বলছেন, শুবরামার পক্ষ হতে হজ্জের নিয়্যত করেছি। নবী স. শুনে বললেন, শুবরামা কে? সে ব্যক্তি বললেন, আমার ভাই অথবা আমার আত্মীয়। তখন নবী স. তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তোমার নিজের হজ্জ আদায় করেছ কি না? সে ব্যক্তি জবাব দিল না। তখন রাসুল স. বললেন, তুমি প্রথম তোমার নিজের হজ্জ কর। পরে শুবরামা’র পক্ষ থেকে হজ্জ কর। (আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ)।

বদলী হজ্জ আদায় বিনিময়: কোন ব্যক্তি যদি কারো পক্ষে বদলী হজ্জ আদায় করেন তিনি পারিশ্রমিক নিতে পারবেন কি না। এ ব্যাপারে আলিমদের মধ্যে দু’টি অভিমত পাওয়া যায়। ১. ইমাম মালেক ,শাফেয়ী, ইবন মুনযির ও আহমদ ইবনে হাম্বল এর মতানুযায়ী পারিশ্রমিক বা বিনিময় গ্রহণ করা জায়েজ। তাদের সাধারণ যুক্তি হলো- যে সব ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব বৈধ, সেসব ক্ষেত্রে বিনিময় গ্রহণ করাও বৈধ। ফিকহুল ইবাদাত গ্রন্থে তাদের মত উল্লেখ করে বলা হয়েছে, আযান ও দীনী তালিম দিয়ে বিনিময় গ্রহণ করা যেমন জায়েজ, তেমন হজ্জ করতে যাওয়ার জন্যও পারিশ্রমিক গ্রহণ করা জায়েজ। অপরদিকে ইমাম আবু হানিফা, ইসহাক ও আহমদ ইবনে হাম্বলের মতে কারো পক্ষ হতে হজ্জ আদায় করতে গেলে বিনিময় গ্রহণ করা বৈধ নয়। তাঁদের দলিল- রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম ইসমান ইবনে আসকে বলেছেন, আযানের বিনিময় গ্রহণ করা যাবে না। ইমাম আবু হানিফা বলেন, যে আমলের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ হয় সে সব আমলের বিনিময় করা ঠিক নয়। (ফিকহুল ইবাদাত-পৃষ্ঠা-০২৩২-২৩৩)।

নারী ও পুরুষের বদলী হজ্জ : আলিমদের ঐকমত্য রয়েছে যে, নারী পুরুষের পক্ষে বা পুরুষ নারীর পক্ষে বদলী হজ্জ আদায় করতে পারবেন। দলিল হিসেবে- রাসুল স. খাসআম গোত্রের এক মহিলাকে তার বাপের পক্ষে বদলী হজ্জ আদায় করার অনুমতি দিয়েছেন। অনুরূপভাবে নারীর পক্ষ হতে পুরুষের বদলী হজ্জ আদায়ে কোন আপত্তি নাই। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত হাদীসটি দলিল হিসেবে পেশ করা যায়- “হযরত ইবনে আব্বাস রা. বলেন, এক ব্যক্তি রাসুল স. এর নিকট এসে বললেন, আমার বোন হজ্জ করতে মানত করেছিলেন, কিন্তু তা আদায় করার আগেই তিনি মারা যান। নবী স. বলেন, তোমার বোনের উপর কারও কোন ঋণ থাকলে তা আদায় করতে কিনা? সে ব্যক্তি বলল নিশ্চয়ই। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম বললেন, তবে আল্লাহর ঋণ আদায় কর। এটা আদায়ের অধিক উপযোগী। (বুখারী ও মুসলিম)।

একাধিক দেশের নাগরিক হলে বদলী হজ্জ : যার পক্ষে বদলী হজ্জ করানো হবে তিনি যদি একাধিক দেশের নাগরিক হয় তাহলে কোন দেশ হতে প্রতিনিধি পাঠাবেন? এ ব্যাপারে উলামাদের মত হচ্ছে- যেকোন দেশ হতে প্রতিনিধি পাঠালে চলবে। এমনকি মক্কায় অবস্থানরত কাউকে দিয়ে হজ্জ করালেও হজ্জ আদায় হবে। তবে ইমাম আহমদ বলেন, যার পক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে তিনি যে দেশে বসবাস করতেন সে দেশ হতে প্রতিনিধি পাঠানো উচিত। তবে যে দেশ হতে প্রতিনিধি পাঠানো তুলনামূলক সহজ সেখান হতেও প্রতিনিধি পাঠানো বৈধ।

প্রতিনিধি হজ্জ নষ্ট করলে : যিনি বদলী হজ্জ করছেন তিনি এমন কাজ করতে পারবেন না যার কারণে হজ্জ নষ্ট হয়। যেমন, হজ্জের ইহরাম করার পর আরাফার দিনের আগে স্ত্রী সহবাস করলে হজ্জ হবে না। এধরণের কোন কাজ করলে যাকে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হয়েছে তার সম্পদ হতেই হজ্জের কাজা আদায় করতে হবে।

বদলী হজ্জের খরচ : বদলী হজ্জ যার পক্ষ হতে আদায় করা হবে তার সম্পদ হতে হজ্জ পালনের সমুদয় খরচ বহন করতে হবে। কেউ যদি নিজের সম্পদ খরচ করে অন্যের জন্য বদলী হজ্জ করে তাহলে যার নামে হজ্জ করেছে তার ফরজ হজ্জ আদায় হবে না। তবে যিনি হজ্জে অংশ গ্রহণ করেছেন তিনি নফল হজ্জের সওয়াব পাবেন। তবে সন্তান নিজের সম্পদ হতে ফরজ বদলী হজ্জ আদায় করলে তা বৈধ হওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন ইমাম শাফেয়ী ও আহমদ ইবনে হাম্বল।



হজ্জে অর্থ ব্যয়: ইসলামের চতুর্থ ফরজ হচ্ছে হজ্জ। মুসলমানদের জীবনে একবার সম্পাদন করা জরুরী। তাও কেবল এমন লোকদের জন্য যে ব্যক্তি পরিবারে খরচ বাদে মক্কা মোয়ায্যমা পর্যন্ত যাতায়াতের খরচ বহন করতে সক্ষম। বিশ্বজাহানের সকল সম্পদের প্রকৃত মালিক আল্লাহ। মানুষ কেবল সম্পদের জিম্মাদার মাত্র। জিম্মাদারের দায়িত্ব অর্পিত সম্পদ মালিকের ইচ্ছায় খরচ করা। এর ব্যতিক্রম তসরূপের শামিল। হজ্জের মাধ্যমে কুরবানী বা আত্মত্যাগের শক্তি সৃষ্টি হয়। দূর হয় স্বার্থপরতা, কৃপণতা, সংকীর্ণমনতা ও সম্পদ পূজার মানসিকতা। যে ব্যক্তি আল্লাহর হুকুমে নিজের সম্পদ-সম্পত্তি ও কায়িক শ্রম আল্লাহর রাস্তায় কুরবান করতে পারে সেই কেবল ইসলামের সহজ-সরল পথে চলার যোগ্য।

হাদীসে কুদসিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক আদম সন্তানকে কিয়ামতের মাঠে ছয়টি প্রশ্নের উত্তর না দেওয়া পর্যন্ত কদম নাড়াতে দেওয়া হবে না। তার অন্যতম প্রশ্ন হলো- তার জীবনে অর্জিত সম্পদ কোন পথে ব্যয় করেছে। অর্জিত অর্থ খরচের জন্য যতগুলো খাত রয়েছে তার অন্যতম হজ্জের জন্য ব্যয় করা।

ঈমান ঘোষণা দিয়ে প্রকাশযোগ্য। স্যলাত কায়িক পরিশ্রমে আদায়যোগ্য। সিয়ামও শারীরিক শ্রমে পালন যোগ্য। যাকাত ও হজ্জ সম্পাদন আর্থিকভাবে সম্পর্কিত। যাকাত শুধু অর্থ প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু হজ্জ সম্পাদন করতে অর্থ খরচ ও শারীরিক শ্রম উভয়ই প্রয়োজন। আর্থিক সামর্থ থাকলে হজ্জ পালন তার প্রতি অবশ্য কর্তব্য বা ফরজ।

হজ্জে অর্থ খরচের ব্যাপারে আল্লাহর রাসুল স. বলেছেন, যারা হজ্জ করতে যায় তাঁরা আল্লাহর মেহমান। তাঁরা যা চান আল্লাহ তাই দেন। তাঁরা যা দোয়া করেন আল্লাহ তা কবুল করেন। আর তাঁরা হজ্জের সময় যা খরচ করেন আল্লাহ তা কয়েকগুণ বাড়িয়ে প্রতিদান দেন।

বায়হাকী’র বর্ণনায় হযরত বুরাইদা রা. বর্ণনা করেন, হজ্জ করার জন্য যে সব অর্থ ব্যয় হয় আল্লাহ তা ‘জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ’র মতো এ অর্থ ব্যয়ের প্রতিদান সাতশতগুণ বাড়িয়ে প্রতিদান দেবেন’। আর্থিক সামর্থ থাকা স্বত্ত্বেও যারা হজ্জ করেন না বরং টাকা জমিয়ে রাখেন, তাদের জন্য এই জমানো টাকা কোন উপকার দিতে পারবে না। কিয়ামতের দিন কোন সম্পদ-সম্পত্তি সামান্য উপকার করতে পারবে না। বরং এই জমানো সম্পদের ব্যাপারে আল্লাহর নিকট জবাব দিতে হবে। জমানো অর্থই তখন নিজের জন্য অনর্থের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। হজ্জ করার প্রতিফল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, কবুল হজ্জকারী ব্যক্তি নিষ্পাপ শিশুর মত হয়ে বাড়ী ফিরেন। যা অন্য কোন কাজে অর্থ ব্যয় করে অর্জন করা সম্ভব নয়। হজ্জ প্রতিপালনকারী হজ্জে গিয়ে যা খাবেন, যা পড়বেন, যা খরচ করবেন, হজ্জকালে পরিবারের ভরণ পোষণে যা ব্যয় করবেন তা সবই উত্তম খরচ। এ সবের জন্য আল্লাহ অফুরন্ত সওয়াব দান করবেন। উত্তম প্রতিদান পাবেন। তাই সামর্থবানদের উচিত সামর্থ থাকতেই হজ্জ আদায় করে নিজকে প্রভূর দরবারে নিষ্পাপ ও প্রিয়পাত্র হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করা।

লেখক, প্রিন্সিপাল বাংলাদেশ মিডিয়া ইনস্টিটিউট ও কেন্দ্রীয় সভাপতি, বিএমআই সাংবাদিক কল্যাণট্রাস্ট

লেখাটি ৯৫ বার পড়া হয়েছে
নিউজ অর্গান টোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


Share


Related Articles

Comments

ফেসবুক/টুইটার থেকে সরাসরি প্রকাশিত মন্তব্য পাঠকের নিজস্ব ও ব্যক্তিগত মতামতের প্রতিফলন, এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোট ভিসিটর সংখ্যা
৫৯৩২৯১৬৪

অনলাইন ভোট

image
জনগণের নয়, বিচারকদের প্রজাতন্ত্রে বাস করছি, সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের এ বক্তব্যের সাথে আপনি কি একমত?

আপনার মতামত
হ্যাঁ
না
ভোট দিয়েছেন ৬৩০ জন

আজকের উক্তি

আট বছরে আট মিনিটের জন্যও রাজপথে উত্তাপ না ছড়ানোর ব্যর্থতায় বিএনপির টপ-টু-বটম নেতাদের পদত্যাগ করা উচিত: ওবায়দুল কাদের