রাজনীতি

প্রতিচ্ছবি সাহিত্য সম্মান পেলেন উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদ

image
Mon, December 25
03:14 2017

কলকাতা সংবাদদাতা:

ණ☛ ‘প্রতিচ্ছবি’ পত্রিকার পক্ষ থেকে আজ ‘প্রতিচ্ছবি সাহিত্য সম্মান’ প্রদান করা হল বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক ফারুক আহমেদকে। ‘প্রতিচ্ছবি’ পত্রিকা প্রতি বছর এই সাহিত্য সম্মান ও সংবর্ধনা দিয়ে আসছে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য।

ණ☛ 'প্রতিচ্ছবি' পত্রিকার পক্ষ থেকে সম্পাদক কবিরুল ইসলাম কঙ্ক ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭ বিকেলে বেলডাঙ্গার এস আর এফ কলেজ মাঠে ‘বেলডাঙ্গা বইমেলা’র মুক্তমঞ্চে এই সাহিত্য সম্মান তুলে দিলেন 'উদার আকাশ' পত্রিকার সম্পাদক ও কবি-সাহিত্যিক ফারুক আহমেদের হাতে। কবি ফারুক আহমেদকে প্রথমে পুষ্পস্তবক এবং উত্তরীয় দিয়ে বরণের পর মানপত্র, স্মারক এবং কিছু মূল্যবান গ্রন্থ তুলে দিয়ে সম্মান জানানো হয়। এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবি নিখিল কুমার সরকার, সমীরণ ঘোষ, নীহার রঞ্জন আদক, সামিম আখতার খান প্রমুখ। ফারুক আহমেদ গ্রাম বাংলার এক বিরল প্রতিভা। দীর্ঘ ২১ বছর ধরে নিয়মিত সাহিত্য চর্চা করছেন তিনি। বাংলার বহু প্রতিভাকে সাহিত্য আকাশে তুলে ধরছেন নিয়মিত। তিনি ১৭ বছর সম্পাদনা করছেন 'উদার আকাশ' সাহিত্য পত্রিকা। তাঁর 'উদার আকাশ' প্রকাশন থেকে ইতিমধ্যে ৭৭টি গবেষণামূলক ও সাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। গ্রাম বাংলার সাহিত্য প্রতিভারা 'উদার আকাশে' আত্মপ্রকাশ করে অনেকেই ইতিমধ্যে তাঁদের প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে বিশেষ দাগও কেটেছেন সাহিত্য আকাশে। ফারুক আহমেদ ইতিমধ্যে কয়েটি সাহিত্য সম্মান পেয়েছেন।

ණ☛ ফারুক আহমেদের হাতে "প্রতিচ্ছবি সাহিত্য সম্মান" তুলে দিয়ে 'প্রতিচ্ছবি' পত্রিকার সম্পাদক কবিরুল ইসলাম কঙ্ক জানান,‘যারা দীর্ঘদিন ধরে নীরবে সাহিত্যচর্চা করছেন, অথচ প্রচারের বাইরে আছেন, তাঁদের সামনের সারিতে তুলে আনার জন্যই এই সাহিত্য সম্মান প্রদান করে আসছি বিগত দশ বছর ধরে। কবি, সম্পাদক ও সাহিত্যিক ফারুক আহমেদের হাতে "প্রতিচ্ছবি সাহিত্য সম্মান" তুলে দিতে পেরে আমরা ধন্য ও গর্বিত হলাম।'



২০০২ সালে টিফিনের পয়সা বাঁচিয়ে ফারুক আআহমেদ প্রথম পত্রিকা প্রকাশ করেন 'উদার আকাশ'। বাংলার গ্রামে-গঞ্জে এমন ব্যাঙের ছাতার মতো বহু পত্রিকার জন্মের পর সুতিকা-গৃহেই মৃত্যু হয়। মূলত: অর্থাভাবে। কিন্তু এমন ব্যতিক্রম দেখা যায় না। এত অর্থাভাবেও কেবল উদ্যোমের জোরেই 'উদার আকাশ' এখন ডাগর-ডোগর সতেরো বছরের ঝকঝকে তরুণ। 'উদার আকাশ' এখন আন্তর্জাতিক। দুই বাংলা তথা বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বাঙালি লেখক ও পাঠক-কুলের পৃষ্ঠপোষকতায় সমৃদ্ধ। 'উদার আকাশ'-এ প্রকাশিত উপন্যাস-এর জন্য প্রখ্যাত সাহিত্যিক আফসার আমেদ বঙ্কিম পুরস্কার লাভ করেছেন ২০০৬ সালে। এই পত্রিকায় প্রকাশিত প্রবন্ধের জন্য খাজিম আহমেদ ও আমিনুল ইসলাম 'বর্ণপরিচয়' পুরস্কার লাভ করেন। কলকাতার মর্যাদাপূর্ণ টাউন হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০১০ সালে "উদার আকাশ"-এর সম্পাদক ফারুক আহমেদও অনুপ্রাণিত হলেন। বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য ড. শেখ মকবুল ইসলামের জগন্নাথ দেব-এর উপর একটি গবেষণাপত্র প্রথম প্রকাশিত হয় 'উদার আকাশ'-এ এবং পরে তিনি ওই গবেষণার জন্য ডি লিট পান। অধ্যাপক ড. ইসলামের কয়েকটি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করেছে "উদার আকাশ।"

ණ☛ ২০১১ ও ২০১২ সালে পশ্চিমবঙ্গ ছোটো পত্রিকা সমন্বয় সমিতি উদার আকাশকে শ্রেষ্ঠ শারদ সংখ্যা নির্বাচিত করে। ২০১২ সালে লিটল ম্যাগাজিন বিভাগে "উদার আকাশ" 'নতুন গতি' পুরস্কার পায়। অল ইন্ডিয়া ইমাম-মুয়াজ্জিন এণ্ড সোশাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন-এর পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা দিয়ে সসম্মানিত করা হয়, সারা বাংলা ইমাম মুয়াজ্জিন সংগঠোনের মুর্শিদাবাদ জেলা কমিটির পক্ষ থেকে ২০১৬ সালে সাহিত্যিক ও সাংবাদিক ফারুক আহমেদকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করে। বারাসত রবীন্দ্রভবনে কথামালা আয়োজিত ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উৎসব ২০১৭-র অনুষ্ঠানে ফারুক আহমেদকে 'কথামালা ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মাননা' প্রদান করা হয়। অল ইন্ডিয়া এস সি এণ্ড এস টি রেলওয়ে এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশন তাঁদের নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এনুয়াল জেনারেল মিটিং-এ ফারুক আহমেদকে সম্মাননা জ্ঞাপন করে ২০১৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। নিখিল ভারত শিশুসাহিত্য সংসদ কবি ফারুক আহমেদকে ২০১৭ সালে "চর্যাপদ" পুরস্কার দিয়ে সসম্মানিত করে। এছাড়াও ফারুক বহু পুরস্কার পেয়েছেন।

ණ☛ বাংলার স্বনামধন্য সাহিত্যিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ ফারুককে স্নেহের বাঁধনে বেঁধেছেন। তাঁর প্রতিটি বিশেষ সংখ্যা সস্নেহে উদ্বোধন করেছেন ও মূল্যবান পরামর্শ দান করেছেন মহাশ্বেতা দেবী, শঙ্খ ঘোষ, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, আবুল বাশার, জয় গোস্বামী, কবীর সুমন, মোস্তাক হোসেন, সুনন্দ সান্যাল প্রমুখ।

ණ☛ স্নেহের বাঁধনে বেঁধেছেন সাহিত্যের আর এক পৃষ্ঠপোষক ও উদ্যোগপতি মোস্তাক হোসেন। সাহিত্যের পৌরোহিত্য করার সাথে-সাথে একজন সমাজ সচেতন নাগরিক হিসেবে সমকালীন সময়ে ঘটে যাওয়া নানান অন্যায়ের বিরুদ্ধে যেমন জোরালো কলম ধরেছে তেমনি জোরালো কন্ঠস্বরে প্রতিবাদ করেছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের মিছিলে পা মিলিয়েছে। ২০১৪ সালে আক্রান্ত আমরা-র নেতৃত্বে ও আরও কয়েকটি সংগঠন মিলে ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কাছে যে স্মারকলিপি দেওয়া হয় ফারুক আহমেদ তার অন্যতম সদস্য। এই ডেপুটেশনের পর আলাদা সাক্ষাৎ করে ফারুক আহমেদ রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের হাতে "উদার আকাশ" পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা ও প্রকাশনার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ তুলে দেন। ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনী এবং দিলীপ বেঙ্গসরকার-এর হাতেও "উদার আকাশ" প্রকাশনের গ্রন্থ তুলে দিয়ে তাঁদেরকে সম্মানিত করেছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর হাতেও "উদার আকাশ"-এর বিশেষ সংখ্যা "উদার ভারত নির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ" তুলে দিয়েছেন। রাজ্যের অনেক মন্ত্রীগণ তার প্রকাশনার গ্রন্থ ও পত্রিকা প্রকাশ করেছেন এবং কলম ধরেছেন।



২০১৬ সালে বিখ্যাত তাজ হোটেলে একটি অনুষ্ঠানে ফারুকের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. অমর্ত্য সেন-এর। এরপর ওই সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি অমর্ত্য সেন প্রকাশ করেন পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের উপর গবেষণা মূলক একটি রিপোর্ট। ড. অমর্ত্য সেন-এর প্রতিষ্ঠিত প্রতিচি ট্রাস্ট, গাইডেন্স গিল্ড এবং স্ন্যাপ সংগঠনের উদ্যোগে কলকাতার গোর্কি সদনে বই আকারে ওই রিপোর্ট প্রকাশের অনুষ্ঠানে আয়োজকদের মধ্যে ফারুক আহমেদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ফারুকের সবচাইতে বড়ো গুণ সে নিজে লেখার চাইতে অপরকে বেশি লেখাতে ভালোবাসে। বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামে-গঞ্জে অনেক প্রতিভা কুঁড়ে-ঘরের অন্ধকারে বসে নিরবে সাহিত্য-সাধনায় মগ্ম আছেন। শহরের নামজাদা পত্র-পত্রিকাগুলিতে তাদের স্থান হয় না। বলা ভালো পাত্তা মেলে না। ফারুক তাঁদের লেখাকে "উদার আকাশ"-এর পাতায় মর্যাদার সঙ্গে তুলে ধরছে নিরন্তর। অন্যদিকে কারও-কারও ভালো লেখার হাত, কিন্তু লিখতে চান না। এঁদের পিছনে লেগে থেকে সুন্দর লেখা বের করে আনার মতো পূণ্যের কাজ ফারুক আহমেদ করে চলেছে প্রতিনিয়ত।

ණ☛ ফারুক আহমেদের সবচাইতে বড়ো গুণ সে নিজে লেখার চাইতে অপরকে বেশি লেখাতে ভালোবাসে। বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামে-গঞ্জে অনেক প্রতিভা কুঁড়ে-ঘরের অন্ধকারে বসে নিরবে সাহিত্য-সাধনায় মগ্ম আছেন। শহরের নামজাদা পত্র-পত্রিকাগুলিতে তাদের স্থান হয় না। বলা ভালো পাত্তা মেলে না। ফারুক তাঁদের লেখাকে "উদার আকাশ"-এর পাতায় মর্যাদার সঙ্গে তুলে ধরছেন নিরন্তর। অন্যদিকে কারও-কারও ভালো লেখার হাত, কিন্তু লিখতে চান না। এঁদের পিছনে লেগে থেকে সুন্দর লেখা বের করে আনার মতো পূণ্যের কাজ ফারুক আহমেদ করে চলেছে প্রতিনিয়ত।

ණ☛ এই চিন্তা-ভাবনা থেকেই তার প্রকাশনার জগতে পা-রাখা। এ-বিষয়ে তার ঐকান্তিক ইচ্ছায় জন্ম হয়েছে 'উদার আকাশ প্রকাশনার'। এখানেও ইতিমধ্যেই মুন্সিয়ানার ছাপ রেখেছেন সে। দুই বাংলার লেখকদের ৭৭টি বই এযাবৎ প্রকাশিত হয়েছে তাঁর প্রকাশনা থেকে। প্রতিটি বইয়ের বিষয়, ছাপার মান, কাগজ ইত্যাদি যে-কোনও বড়ো প্রকাশনার সঙ্গে টক্কর দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। প্রকাশনার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো 'পশ্চিমবাঙলার বাঙালি মুসলমান অন্তবিহীন সমস্যা' - খাজিম আহমেদ, 'জীবনশিল্পী রোকেয়া' - ড. মীরাতুন নাহার, 'ইসলামের ভুবন' এবং 'মোদীর ভারত, গান্ধীর ভারত' - গৌতম রায়, 'মানুষ-মাটি-মা' ও 'জন্মভূমিশ্চ' - মোশারফ হোসেন, 'নজরুল সাহিত্যের দিগ্বলয়' নুরুল আমিন বিশ্বাস, 'জলের কান্না' - পলাশকুমার হালদার, 'সাম্যবাদ : ভারতীয় বিক্ষণ' আর 'নজরুল নানামাত্রা'- ড. শেখ মকবুল ইসলাম, 'পরিবর্তনের সন্ধানে মুর্শিদাবাদের বাঙালি মুসলমান' - সৌমেন্দ্রকুমার গুপ্ত' 'মহাশ্বেতা দেবীর গল্পবিশ্ব : লৈঙ্গিক প্রতিরোধ' ড. শিবুকান্ত বর্মন, 'দ্য সেকুলার ভিশন অফ কাজী নজরুল ইসলাম' ড. আবুল হোসেন বিশ্বাস, 'নজরুল সাহিত্যে দেশকাল' ড. সা'আদুল ইসলাম, 'গৌরকিশোর ঘোষ মুসলিম জীবন ও অভিমানস' ড. শেখ মুঈদুল ইসলাম প্রমুখ।

ණ☛ ফারুক আহমেদের নিজের সম্পাদনার কাজেও তাঁর মুন্সিয়ানার ছাপ পরিলক্ষিত হয়েছে। তাঁর সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো 'রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে অনগ্রসর ও সংখ্যালঘু', 'কংগ্রেস ও বাম-শাসনে মুসলিম ভোট-ব্যাঙ্ক', 'আত্মপরিচয়ের অন্বেষণ', 'পশ্চিমে সূর্যোদয় রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের উলটপূরাণ', 'প্রতিশ্রুতি ও উন্নয়ন', 'মূল্যবোধের অবক্ষয়' সহ বেশ কয়েটি গ্রন্থ।



আগেই বলেছি নিজে লেখার চাইতে অন্যকে লেখাতে বেশি আনন্দ পান ফারুক আহমেদ। তবুও ধীর গতিতে হলেও নিজের মৌলিক লেখালেখি ও গবেষণার কাজ নীরবে চালিয়ে যাচ্ছে সে। ইতিমধ্যে গুণগ্রাহীদের চাপে তাঁর কাব্যগ্রন্থ 'বিশ্বপ্রেম' প্রকাশিত হয়েছে ও তাঁর গল্পগ্রন্থ 'বিনির্মাণ' প্রকাশিত হতে চলেছে।

ණ☛ বাংলায় তাঁর জনপ্রিয়তা ক্রমবর্ধমান। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি বৈদ্যুতিন চ্যানেলের টক-শোতে চ্যানেলের আমন্ত্রণে উপস্থিত থেকেছেন সে। তাঁর মূল্যবান বক্তব্য সে তুলে ধরেছেন বাংলার কল্যাণের জন্য। ২০০৭ সাল থেকে সে মুর্শিদাবাদ জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য প্রতিনিয়ত সামাজিক ভাবে জনমত গড়ে তুলতে আন্দোলন করছেন এবং সরকারের কাছে লিখিত ভাবে আবেদনও করেছেন।

ණ☛ একেবারে প্রত্যন্ত গ্রামের মাটি থেকে তাঁর এই যে উড়ান, তা কেবল তাঁর একার প্রবল ইচ্ছাশক্তির জোরেই। বর্তমান সময়-কালে শহরের পৃষ্ঠপোষকতা ও আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য না থাকলে কেউই ওড়ার সাহস দেখাতে পারেননা। খুব কাছ থেকে দেখেছি তাই বলতে পারি কেবলই ইচ্ছে-ডানায় ভর করেই তাঁর এই উড়ান। এই মুহূর্তে ফারুক আহমেদ একাধারে জনপ্রিয় সম্পাদক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, সমাজ-চিন্তাবিদ ও দক্ষ সংগঠক। আগামী ১৪ নভেম্বর ২০১৭ তাঁরই উদ্যোগে কলকাতার আইসিসিআর সত্যজিৎ রায় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হল 'গঙ্গা-পদ্মা সাহিত্য-সৌহার্দ্য ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী-উৎসব--২০১৭।' দুই বাংলার সংস্কৃতি ও সাহিত্যি-জগতের মেলবন্ধনের মাধ্যমে দুই বাংলা একত্রিত থাকবে আজীবন, ফারুকদের এই কামনা একদিন যথার্থ হয়ে উঠবে, দল-মত-জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে, যেদিন থাকবে না কোনও লুকনো বিদ্বেষ, ভারতবাসী হিসেবে আমরা সেই সুদিনের অপেক্ষায় পথ চেয়ে আছি। সেই সুদিন, --যা অনিবার্য, এবং একদিন আসবেই।

ফারুক আহমেদের পিত-মাতা, পরিবার ও মূল্যবান দীপ্তিময় তারার অনুপ্রেরণাতেই সাহিত্য আকাশে সে বিরল প্রতিভাদের মধ্যে এক অচেনা আকাশ ও অন্যতম।

লেখাটি ২৩৯ বার পড়া হয়েছে
নিউজ অর্গান টোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


Share


Related Articles

Comments

ফেসবুক/টুইটার থেকে সরাসরি প্রকাশিত মন্তব্য পাঠকের নিজস্ব ও ব্যক্তিগত মতামতের প্রতিফলন, এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোট ভিসিটর সংখ্যা
৭৭৯৬৫৩৫৪

অনলাইন ভোট

image
মাদক বিরোধী অভিযানের নামে অব্যাহত ক্রসফায়ার সমর্থন করেন কি?

আপনার মতামত
হ্যাঁ
না
ভোট দিয়েছেন ১০৬ জন

আজকের উক্তি

নির্বাচনকালীন সরকার কিংবা সহায়ক সরকার বিষয়টি রাজনৈতিক, এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা
Changer.com - Instant Exchanger