রাজনীতি

মানসম্মত সুশিক্ষাদানে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের ভূমিকা

image
Fri, December 29
05:01 2017

প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান:

ණ☛ বর্তমানে বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। জ্ঞাননির্ভর আদর্শ সমাজ বিনির্মাণ ও মানসম্মত সুশিক্ষাদানের ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু গুটিকয়েক সরকারি বা পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়ের পক্ষে বাংলাদেশের এই বিশাল জনগোষ্ঠীর ক্রমবর্ধমান শিক্ষার চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই নানা দিক বিবেচনায় রেখেই বাংলাদেশে অনেক নতুন নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন লাভ করেছে। একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও দেশের মানসম্মত শিক্ষাদানে ভূমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে।

ණ☛ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি কলেজের ফার্মাসিউটিকাল বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রথিতযশা আদর্শ শিক্ষক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ও স্বনামধন্য প্রফেসর ড. জামিল হাবিব ১ জুলাই ২০১৫ তারিখে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স-এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হন। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স-এর বোর্ড অব ট্রাষ্ট্রিজ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. জামিল হাবিবের সাথে সম্প্রতি তাঁর কার্যালয়ে ‘দি ক্যাম্পাস’ ও ‘নীলরঙ্গ’ পত্রিকার সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় আমরা মানসম্মত সুশিক্ষাদানে ভিন্নধারার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ উচ্চ শিক্ষায় বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়ের ভূমিকা সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পেরেছি। ‘দি ক্যাম্পাস’ ও ‘নীলরঙ্গ’ পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মহোদয়ের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন।

প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: আপনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা মনে করছেন কি-না?

প্রফেসর ড. জামিল হাবিব: আর্তমানবতার সেবায় নিবেদিত একুশ শতকের উপযোগী দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির লক্ষ্যে প্রথিতযশা শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় আইন অনুযায়ী ২০১৫ সালে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স প্রতিষ্ঠিত হয়। রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র হাতিরঝিল সংলগ্ন মধ্যবাড্ডায় অবস্থিত সিটি ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠাকালীন অবকাঠামো, ছাত্র-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা যৎসামন্য থাকলেও বর্তমানে এর পরিধি ও ব্যাপ্তি বহুগুণ বেড়েছে তাই ভবিষ্যত সাফল্য লাভের জন্য আমাদের অনেক কঠিন পরিশ্রম করতে হবে বলে মনে করি। আদর্শ, দক্ষ ও যুগোপযোগী মানুষ গড়ার অন্যতম কারিগর এবং সৃষ্টিশীল তারুণ্যের ক্যাম্পাসে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স দেশের বহু মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীকে বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগসহ যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করছে।


প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন অনুমোদিত কি কি বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্সে পাঠদান হয়?

প্রফেসর ড. জামিল হাবিব: "ওহাবংঃরহম রহ কহড়ষিবফমব" স্লোগানে বিশ্বায়নের দাবি পূরণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে যুগোপযোগী কোর্সগুলোকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন অনুমোদিত ছয়টি বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্সে পাঠদান করা হয়। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সে ফ্যাকাল্টি রয়েছে ৩টি। ১. স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ২. স্কুল অব বিজনেস, ৩. স্কুল অব লিবারেল আর্টস। এই ৩টি অনুষদের অধীনে রয়েছে মোট ৬ বিষয়। বিএসসি ইন কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন ইলেট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন টেক্সটাইল, বিএ অনার্স ইন ইংলিশ, বিবিএ, এমবিএ - এই প্রোগ্রামগুলো প্রাথমিকভাবে চালু হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে যুগোপযোগী বিভিন্ন কোর্স চালুর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের সক্রিয় বিবেচনা ও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষাদানের পাশাপাশি কি ধরনের কো-কারিকুলাম কার্যক্রম রয়েছে যদি বলতেন?

প্রফেসর ড. জামিল হাবিব: পড়াশোনার অসম্ভব চাপ থাকা সত্ত্বেও কো-কারিকুলাম কার্যক্রমে কোনো অংশে পিছিয়ে নেই আধুনিক সুবিধা নিয়ে গড়ে উঠা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের ছাত্র-ছাত্রীরা। এখানে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কে অত্যন্ত মধুর ও গভীর আন্তরিকতায় পরিপূর্ণ। শিক্ষার্থীরা তাদের লেখাপড়া ছাড়াও যে কোনো সমস্যা শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে নেয়। বিশ^মানের কোর্স কারিকুলাম, শিক্ষা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কারণে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে।


প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষাদানের জন্য কি ধরনের শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে বলবেন কি?

প্রফেসর ড. জামিল হাবিব: মানসম্মত শিক্ষাদানের জন্য বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়ে খুব ভালো পরিবেশের দরকার। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স এর শিক্ষার্থীরা মাল্টিমিডিয়া এবং ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে ক্লাসে বসে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারছে। এই বিশ^বিদ্যালয়ে রয়েছে সুপরিসর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্লাসরুম, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সুবিধা, পৃথক কম্পিউটার, ডিজিটাল ল্যাব, ই-মেইল অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা, ফ্রি ইন্টার নেট ব্রাউজিং, বিভিন্ন ব্যাংক-বীমা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ, ক্যারিয়ার ও চাকুরির ব্যাপারে সহায়তা, বিশে^র বিভিন্ন দেশের নামি-দামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ এবং ক্লাস বন্ধের দিনগুলোতেও কম্পিউটার ল্যাব ও লাইব্রেরী ব্যবহার করার সুযোগ সুবিধা। আধুনিক চাকচিক্যতাময়তাসহ পড়াশোনার মানসম্মত পরিবেশ উন্নতকরণের সব সুযোগ-সুবিধাই রাখা হয়েছে আইইউএস-এর ক্লাসরুমগুলোতে। প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রযুক্তি সাপোর্ট রয়েসে ক্লাসরুমগুলোতে। একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সে রয়েছে ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাব, বিজনেস ক্লাব ও ডিবেটিং ক্লাব। কালচারাল ক্লাব জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দিবস পালন ও উদযাপনসহ নানা রকম সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে।


প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে সমৃদ্ধ ডিজিটালমানের লাইব্রেরি আছে কি?

প্রফেসর ড. জামিল হাবিব: ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সে রয়েছে একটি সুবিশাল এবং সমৃদ্ধ লাইব্রেরী। বৃহৎ আয়তনের এই লাইব্রেরিতে রয়েছে বিভিন্ন বিষয়ের লক্ষাধিক দেশি-বিদেশী বই, জার্নাল ও গবেষণাপত্র। এখানে নিয়মিত পত্রিকা সংগ্রহ করা হয়। আধুনিক যুগে ডিজিটাল পদ্ধতির দিকগুলো মাথায় রেখে এ লাইব্রেরিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এ লাইব্রেরিতে সিডি, ভিসিডি ও অডিও ভিজ্যুয়াল আছে শতাধিক। লাইব্রেরিতে সংগৃহীত বই-পুস্তক ও জার্নালসমূহের তথ্যাদি ক্যাটালগ আকারে আইইউএস ওয়েবসাইটে সংযুক্ত রয়েছে। ফলে যেকোনো পাঠক-পাঠিকা নিজেদের ঘরে বসেই দেখতে পারেন আইইউএস লাইব্রেরির মনোরম সংগ্রহ। লাইব্রেরিতে পড়াশোনার জন্য রয়েছে বিশাল পাঠকক্ষ। পড়াশোনার সময় যাতে শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক অধ্যয়নের জন্য নেট সার্চ করতে পারে এর জন্য পুরো ভবনটিই ওয়াইফাই সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ডিজিটাল লাইব্রেরি পদ্ধতিতে ই-বুক ও ই-জার্নালের বিশাল সংগ্রহ রাখা হয়েছে আইইউএস ই-লাইব্রেরিতে। ইউনিভার্সিটিতে রয়েছে সমৃদ্ধ কম্পিউটার লাইব্রেরি। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ও ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য পরিচ্ছন্ন ল্যাবটিতে রয়েছে আধুনিক সকল সুবিধা। একদল দক্ষ লাইব্রেরিয়ান লাইব্রেরিটি পরিচালনা করে থাকেন।


প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: উচ্চশিক্ষায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কি ভূমিকা রয়েছে বলে আপনি মনে করেন?

প্রফেসর ড. জামিল হাবিব: উচ্চশিক্ষার জন্য সরকারিভাবে যেসব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে আসন না থাকায় সেগুলো উচ্চ শিক্ষা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। এজন্য শিক্ষার্থীরা বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে। এক্ষেত্রে বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদের অনেক কম খরচে উচ্চ শিক্ষা দিচ্ছে। বিদেশে যাওয়ার পর শিক্ষার্থীরা তাদের সংস্কৃতি থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে। ছাত্র-ছাত্রীদের এই বিদেশ গমণের হার কমাতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে আমি মনে করি। যার ফলে ভবিষ্যৎতে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজস্ব সভ্যতা সংস্কৃতি ধরে রাখতে পারে। যে পরিমাণ টাকা খরচ করে বিদেশ পড়াশোনা করবে তার চেয়ে অনেক কম টাকা খরচ করে দেশে ভালো মানের শিক্ষা অর্জন করতে পারে।


প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষাদানের জন্য আদর্শ শিক্ষকের কি প্রয়োজন আছে বলে আপনি মনে করেন?

প্রফেসর ড. জামিল হাবিব: পিতা-মাতা ও অভিভাবকগণা তাদের প্রাণপ্রিয় সন্তান-সন্ততিদেরকে মানসম্মত সুশিক্ষাদানের জন্য আদর্শ শিক্ষকের কাছে অধ্যয়ন করতে দিতে চায়। এজন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষার জন্য অবশ্যই ভালো শিক্ষক থাকা দরকার। শুধু ভালো হলে হবে না এর সাথে যুক্ত থাকতে হবে নিষ্ঠাবান, নিবেদিতপ্রাণ ও শিক্ষাদানে আগ্রহী সৎ, যোগ্য ও আদর্শ ব্যক্তি। শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সে রয়েছে মানসম্মত ও যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক, যারা প্রতিনিয়তই ছাত্র-ছাত্রীদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

গ্রন্থনা: প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: কলাম লেখক ও গবেষক। পরিচালক, এশিয়ান ইনস্টিটিউট, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। সম্পাদক, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি বার্তা। উপদেষ্টা সম্পাদক, ‘দি ক্যাম্পাস’ ও ‘নীলরঙ্গ’ পত্রিকা।

লেখাটি ৫৯৯ বার পড়া হয়েছে
নিউজ অর্গান টোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


Share


Related Articles

Comments

ফেসবুক/টুইটার থেকে সরাসরি প্রকাশিত মন্তব্য পাঠকের নিজস্ব ও ব্যক্তিগত মতামতের প্রতিফলন, এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোট ভিসিটর সংখ্যা
৬২২৩৩৮৯৯

অনলাইন ভোট

image
রোডম্যাপহীন নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে দেশ- মাহমুদুর রহমান মান্নার এ বক্তব্য যথার্থ বলে মনে করেন কি?

আপনার মতামত
হ্যাঁ
না
ভোট দিয়েছেন ২৯ জন

আজকের উক্তি

নির্বাচনকালীন সরকার কিংবা সহায়ক সরকার বিষয়টি রাজনৈতিক, এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা