রাজনীতি

জ‌মি সংক্রান্ত ঘটনায় প্র‌তিপ‌ক্ষের বিরু‌দ্ধে মিথ্যা মাদক মামলা

image
Mon, January 8
12:01 2018

মোঃ ইউনুস আলী, , লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

ණ☛ লালমনিরহাটে জমি-জমার জেরে পরিকল্পিতভাবে শাহিনুর ইসলাম (১৭) নামে প্রতিপক্ষ এক কিশোরকে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২২ডিসেম্বর সন্ধ্যায় জেলা শহরের নর্থ বেঙ্গলমোড় এলাকার নিজ লন্ড্রী দোকান থেকে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় আশ পাশের দোকানদার ও কাষ্টমাররা এগিয়ে আসিয়া প্রতিবাদ করিলেও কোন কাজ হয়নি । ওই মিথ্যা মামলা হইতে অব্যাহতির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে আবেদন করেছে এলাকাবাসী।

ණ☛ প্রাপ্ত অভিযোগে জানাযায়, লালমনিরহাট জেলা শহরের নর্থ বেঙ্গলমোড় এলাকায় কিশোর শাহিনুরের বাবা আতিয়ার রহমানের বাড়ীটি পৈত্রিক এবং ক্রয় সূত্রে জমির মালিক। উক্ত বাড়ীর জমি নিয়ে বহুদিন থেকে একই এলাকার আশরাফুল আলম দৌলত এবং রফিকুল ইসলাম বিভিন্ন সময় মদ্য পান করে শাহিনুরের বাড়ী দখল নেয়ার জন্য বিভিন্ন হুমকিসহ রাস্তা ঘাটে অকর্থ ভাষায় গালি গালাজ করিয়া আসিতেছিল। এমনকি শাহিনুরের পরিবারের সকলকে জীবন নাশের হুমকিও প্রদান করা হয়। বিষয়গুলো স্থানীয় কাউন্সিলর মোঃ রাশেদুল হাসান রাশেদ, মহিলা কাউন্সিলর বিউটি বেগম ও পুলিশিং কমিটির সভাপতি আবুল কাশেমকে অবগত করলে তারা থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ প্রদান করেন।

ණ☛ এরই প্রেক্ষিতে শাহিনুরের মা মোছাঃ শাহিনা বেগম বাদী হয়ে গত ২২ আগষ্ট রফিকুল গংদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। থানা কর্তৃপক্ষ ওসি নিজেই অভিযোগ শুনানী শেষে যেহেতু জমির বিষয় তাই শাহিনা বেগমকে সিভিল আদালতে মামলা করার পরামর্শ প্রদান করেন। ওসির পরামর্শ ক্রমে গত ২৪ অক্টোবর ১৭ইং তারিখে মাননীয় বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই বিবাদী আশরাফুল আলম দৌলতের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে রফিকুল ইসলাম, সোনালী, সায়েদা, সিরাজুল, শামীম, শহিদুল ও সোহাগ মিয়া প্রতিনিয়ত মামলা উঠাইয়া নেয়্রা জন্য হুমকি প্রদান করে আসছে। যাহা ওই এলাকার কাউন্সিলর ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অবগত আছেন।

ණ☛ এরপর গত ১৯ ডিসেম্বর বিবাদী মোঃ আশরাফুল আলম দৌলত ও রফিকুল ইসলাম গংএর ষড়যন্ত্রে সন্ত্রাসীরা হঠাৎ করে শাহিনা বেগমের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার ছোট ভাইয়ের বউ মোছাঃ সুমি বেগমকে একা পেয়ে বেদম মারপিট করে। পরে খবর পেয়ে শাহিনা বেগম সুমি বেগমকে প্রথমে থানায় পরক্ষনে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এবিষয়ে শাহিনা বেগম থানায় অভিযোগ করলে অদৃশ্য কারনে অদ্যাবধি মামলাটি রেকর্ড করা হয় নাই।

ණ☛ সন্ত্রাসীরা প্রভাবশালী হওয়ায় আবারও ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের বাড়ী ঘরে আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে দিবে কিংবা যে কোন মিথ্যা মামলায় হ্যাস্ত ন্যাস্ত করিবে বলে হুমকি প্রদান করে। সন্ত্রাসী এহেন হুমকীতে শাহিনা মাথানত না করায় মাদক সেবী ও ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম এবং মাদক সেবী আশরাফুল আলম দৌলত সদর থানার এস.আই এর সাথে যোগসাজসে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে তার ছেলে কিশোর শাহিনুর ইসলামকে তার লন্ড্রী দোকান হইতে জোড় করে তুলে নিয়ে গিয়ে মিথ্যা মাদক মামলা দেয়। বর্তমানে শাহিনা বেগমের স্বামী আতিয়ার রহমান সন্ত্রাসীদের ভয়ে এলাকা ছাড়া হয়েছে।

ණ☛ ২নং ওয়ার্ড বিট পুলিশিং কমিটির সভাপতি আবুল কাশেম জানান, এব্যাপারে ওই ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর রাশেদুল হাসান রাশেদ জানান, শুনেছি শাহিনকে ধরার পর তার শরীরে বাংলা মদের গন্ধ, এক পুরিয়া গাঁজা ও এক পুরিয়া হেরোইন পাওয়া গেছে। তাই তাকে ছাড়ার ব্যাপারে পুলিশকে কোন সুপারিশ করা হয় হয়নি। তাছাড়া সে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত কিনা তা আমি জানি না বা শুনি নাই।

ණ☛ এলাকাবাসীর দাবী যেহেতু শাহিনুর ইসলাম মাদক সেবন ও বিক্রয়ের সাথে কোন সম্পর্ক নাই তাই তাকে আইনি সহায়তা ও সুবিচারের প্রার্থনা এবং দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নিকট জোড়দাবী জানানো হয়। ভবিষ্যতে শাহিনের মতো কোন নিরপরাধ ব্যক্তিকে যেন অন্যায় ভাবে গ্রেফতার করে মাদক দিয়ে মামলা করে হয়রানী না করে সে ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

লেখাটি ১১৪ বার পড়া হয়েছে
নিউজ অর্গান টোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


Share


Related Articles

Comments

ফেসবুক/টুইটার থেকে সরাসরি প্রকাশিত মন্তব্য পাঠকের নিজস্ব ও ব্যক্তিগত মতামতের প্রতিফলন, এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোট ভিসিটর সংখ্যা
৬৯৪০৫৯৮৪

অনলাইন ভোট

image
ধর্ষণ প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় আপনি কি মনে করেন ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত?

আপনার মতামত
হ্যাঁ
না
ভোট দিয়েছেন ২৭ জন

আজকের উক্তি

নির্বাচনকালীন সরকার কিংবা সহায়ক সরকার বিষয়টি রাজনৈতিক, এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা