রাজনীতি

কোটা বিরোধী ছাত্রদের উপর চড়াও পুলিশ; গুলি, টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জে ছত্রভঙ্গ, আটক ৫

image
Sun, April 8
08:49 2018

নিউজ অর্গান টোয়েন্টিফোর.কম:

ফাঁকা গুলি, টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জ করে কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

বেলা তিনটা থেকে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থীদের সরাতে রাত পৌনে আটটার দিকে অ্যাকশন শুরু করে পুলিশ। আন্দোলনকারীদের সরাতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছুঁড়ে।

এসময় শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে বিভিন্ন সড়কে ছড়িয়ে পড়ে।

আন্দোলনকারীদের সমন্বয়ক হাসান আল মামুন বলেন, পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কমূসচিতে নির্বিচারে হামলা করেছে। পুলিশের টিয়ারশেল, ফাঁকা গুলিতে আমাদের শতাধিক আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন।

আটক করা হয়েছে ৫ জনকে। আমরা এ হামলার নিন্দা জানাই। তিনি বলেন, পুলিশ শুধু আমাদের ওপর হামলা করে ক্ষান্ত হয়নি। বঙ্গবন্ধুর ছবিকেও অবমাননা করেছে।

হাসান আল মামুন জানান, তারা এখন চারুকলার সামনে অবস্থান নিয়ে হামলার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। কিন্তু পুলিশ সেখানেও শাহবাগ থানার সামনে থেকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে।

এর আগে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দুপুর আড়াইটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সামনে থেকে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী জড়ো হন। সেখান থেকে একটি মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা টিএসসি হয়ে নীলক্ষেত মোড় ঘুরে কাঁটাবন হয়ে শাহবাগ মোড়ে আসে। পরে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে তারা। ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে আশপাশের সড়কে যানজট দেখা দেয়। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বন্ধ থাকায় অফিস ছুটির পর দুর্ভোগে পড়েন অনেকে।

এদিকে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ি ঢাকার বাইরে ময়মনসিংহ, বগুড়া, রংপুর, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে।

লেখাটি ২৮২ বার পড়া হয়েছে
নিউজ অর্গান টোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


Share


Related Articles

Comments

ফেসবুক/টুইটার থেকে সরাসরি প্রকাশিত মন্তব্য পাঠকের নিজস্ব ও ব্যক্তিগত মতামতের প্রতিফলন, এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোট ভিসিটর সংখ্যা
৭৪৮৪৩৯৬৪

অনলাইন ভোট

image
মাদক বিরোধী অভিযানের নামে অব্যাহত ক্রসফায়ার সমর্থন করেন কি?

আপনার মতামত
হ্যাঁ
না
ভোট দিয়েছেন ৭৮ জন

আজকের উক্তি

নির্বাচনকালীন সরকার কিংবা সহায়ক সরকার বিষয়টি রাজনৈতিক, এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা