রাজনীতি

নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলে ধানকাটা শ্রমিক সঙ্কট!

image
Mon, May 14
10:13 2018

ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ, নওগাঁ সংবাদদাতা:

শস্যভাণ্ডার হিসেবে খ্যাত বরেন্দ্র অঞ্চলে বোরো মৌসুমে ধান কাটার কৃষি শ্রমিক সঙ্কটে; বিপাকে পড়েছে বোরো চাষীরা। এলাকায় এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে বোরো আবাদ হওয়ায় ধান কাটার শ্রমিক সঙ্কট প্রকট হয়ে ওঠেছে। বরেন্দ্র অঞ্চলের পত্নীতলা, মহাদেবপুর, ধামুইরহাট, সাপাহার, পোরশাসহ বিভিন্ন উপজেলার মাঠে মাঠে বিঘার পর বিঘা জমির পাকা ধান শ্রমিকের অভাবে ঘরে তুলতে পারছে না চাষীরা।

স্থানীয় ধান চাষীদের মতে, এসব এলাকার প্রায় ৭০ ভাগ ধান এখনও জমিতেই রয়েছে। ধান কাটা মাড়াই কাজের জন্য নিয়োজিত স্থানীয় শ্রমিকরা অনেকেই কৃষি কাজ বাদ দিয়ে চার্জার ভ্যান, ভটভুটি ও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।

এ কারণে প্রায় দ্বিগুন পারিশ্রমিক দিয়েও ধান কাটার শ্রমিক মিলছে না। এ এলাকার স্থানীয় ধান চাষীরা জানান, ধান কাটার শ্রমিক কারণে অনেক বেশি দামে শ্রমিক ক্রয় করতে হচ্ছে ধান।

চাষীরা আরও জানান, বর্তমান বোরো মৌসুমে মাঠ ভরা পাকা ধান ভালোভাবে ঘরে তুলতে পারেন যেন এটাই প্রত্যাশা করেন। পত্নীতলা উপজেলার শাশইল গ্রামের চাষী বকুল, বুলবুল, রমজান, শাহাজাহান, জুয়েল, ইদ্রিস, হাবিবুরসহ অনেকেই জানান, বিঘা প্রতি মাঠের ধানকাটা, পরিবহন, মাড়াই করতে চুক্তিতে ৮/৯ মণ ধান দিয়েও শ্রমিক মিলছে না। বিগত মৌসুমে বাহিরের জেলার আগত শ্রমিকরা আসতেন প্রচুর। কিন্তু, চলতি মৌসুমে ধানকাটার শুরু থেকেই আগত চুক্তি ভিত্তিক শ্রমিক সঙ্কট।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পত্নীতলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, এক সঙ্গে ধান কাটা সময়ে শ্রমিক সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

কারণ, বোরো আবাদে ধানকাটার সময় আবহাওয়া জনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ আশঙ্কায় চাষীরা দুঃচিন্তায় থাকেন সাধারণত।

তবে, কয়েক দিনের মধ্যেই শ্রমিক সঙ্কট কেটে যাবে বলেও অভিমত প্রকাশ করেন তিনি।

লেখাটি ৮২ বার পড়া হয়েছে
নিউজ অর্গান টোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


Share


Related Articles

Comments

ফেসবুক/টুইটার থেকে সরাসরি প্রকাশিত মন্তব্য পাঠকের নিজস্ব ও ব্যক্তিগত মতামতের প্রতিফলন, এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোট ভিসিটর সংখ্যা
৭১৬৮৩৫৯৪

অনলাইন ভোট

image
ধর্ষণ প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় আপনি কি মনে করেন ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত?

আপনার মতামত
হ্যাঁ
না
ভোট দিয়েছেন ৬৭ জন

আজকের উক্তি

নির্বাচনকালীন সরকার কিংবা সহায়ক সরকার বিষয়টি রাজনৈতিক, এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা