রাজনীতি

বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থীর সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা

image
Sun, July 8
07:22 2018

শাফিউল কায়েস,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

গোপালগঞ্জে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘঠিত সংঘর্ষ ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশ ও এলাকাবাসীর পক্ষে দায়ের করা দুটি মামলায় ৪৭ জনের নাম উল্লেখ করে ১ হাজার ৬শ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর নামে মামলা হয়েছে।

গত বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার দিনভর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থী ও গোবরা এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে আগুন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের দোকানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

এ দুই দিনের ঘটনায় শিক্ষার্থী, পুলিশ ও এলাকাবাসীসহ অন্তত ৬০ জন আহত হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক টিয়ার সেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে এক সমঝোতা বৈঠকের মাধ্যমে আপাতত পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।তবে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ইভটিজিংকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও গোবরা এলাকাবাসীর মধ্যে দু'দিন ধরে সংঘর্ষ ও অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

গোপালগঞ্জ থানার ওসি জানান, পুলিশের কাজে বাঁধা ও পুলিশকে আহত করার অভিযোগে পুলিশের উপ-পরিদর্শক সুশান্ত কুমার খান ৭শ’ থেকে ৮শ’ উশৃংখল শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীদের নামে মামলা দায়ের করেছেন।

অন্যদিকে, শিক্ষর্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের মার্কেটে ব্যাপক ভাংচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে মার্কেট মালিক সাজেদা বেগম নামে এক ব্যক্তি ৪৭ জনের নাম উল্লেখ করে ৭/৮শ’ শিক্ষার্থীকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

লেখাটি ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
নিউজ অর্গান টোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


Share


Related Articles

Comments

ফেসবুক/টুইটার থেকে সরাসরি প্রকাশিত মন্তব্য পাঠকের নিজস্ব ও ব্যক্তিগত মতামতের প্রতিফলন, এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোট ভিসিটর সংখ্যা
৭৫১০৩১১৪

অনলাইন ভোট

image
মাদক বিরোধী অভিযানের নামে অব্যাহত ক্রসফায়ার সমর্থন করেন কি?

আপনার মতামত
হ্যাঁ
না
ভোট দিয়েছেন ৭৯ জন

আজকের উক্তি

নির্বাচনকালীন সরকার কিংবা সহায়ক সরকার বিষয়টি রাজনৈতিক, এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা